সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য কর কমিশনারের কার্যালয়, কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন কর অঞ্চল-কুষ্টিয়ায় গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-২০ পর্যন্ত বিভিন্ন শূন্য পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে সরাসরি জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগে কম্পিউটার অপারেটর, প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদে আবেদন করা যাবে।





নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কর অঞ্চল-কুষ্টিয়ার অধিক্ষেত্রাধীন কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে অনলাইনে taxkus.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আবেদন শুরু হবে ০৭ মে ২০২৬, ০০:০১ ঘণ্টা থেকে এবং আবেদন শেষ হবে ০৩ জুন ২০২৬, ২৩:৫৯ ঘণ্টা পর্যন্ত।
কর অঞ্চল কুষ্টিয়া নিয়োগ ২০২৬ — সংক্ষিপ্ত তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠানের নাম | কর কমিশনারের কার্যালয়, কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া |
| চাকরির ধরন | সরকারি চাকরি |
| নিয়োগের ধরন | অস্থায়ী ভিত্তিতে সরাসরি নিয়োগ |
| পদ গ্রেড | গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-২০ |
| মোট পদসংখ্যা | ১২২টি |
| আবেদন পদ্ধতি | অনলাইন |
| আবেদন ওয়েবসাইট | Apply Now |
| অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | taxeszonekushtia.gov.bd |
| আবেদন শুরু | ০৭ মে ২০২৬, ০০:০১ ঘণ্টা |
| আবেদন শেষ | ০৩ জুন ২০২৬, ২৩:৫৯ ঘণ্টা |
| বয়সসীমা | ০৭ মে ২০২৬ তারিখে ১৮–৩২ বছর |
| আবেদনযোগ্য জেলা | কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর |
পদের নাম, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল
কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৬ ধরনের পদে ১২২ জন জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। নিচে পদের নাম, গ্রেড, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল দেওয়া হলো।
| ক্রমিক | পদের নাম | গ্রেড | পদসংখ্যা | বেতন স্কেল |
|---|---|---|---|---|
| ১ | কম্পিউটার অপারেটর | গ্রেড-১৩ | ১টি | ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা |
| ২ | প্রধান সহকারী | গ্রেড-১৩ | ২২টি | ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা |
| ৩ | উচ্চমান সহকারী | গ্রেড-১৪ | ২২টি | ১০,২০০–২৪,৬৮০ টাকা |
| ৪ | সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর | গ্রেড-১৪ | ২৩টি | ১০,২০০–২৪,৬৮০ টাকা |
| ৫ | অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক | গ্রেড-১৬ | ২৭টি | ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা |
| ৬ | অফিস সহায়ক | গ্রেড-২০ | ২৭টি | ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা |
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
১. কম্পিউটার অপারেটর
কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি পাস হতে হবে।
এছাড়া কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে নির্ধারিত গতি থাকতে হবে:
- বাংলা টাইপিং: প্রতি মিনিটে ২৫ শব্দ
- ইংরেজি টাইপিং: প্রতি মিনিটে ৩০ শব্দ
এই পদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে Standard Aptitude Test-এ উত্তীর্ণ হতে হবে।
২. প্রধান সহকারী
প্রধান সহকারী পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে-কোনো বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরের সর্বনিম্ন গতি:
- ইংরেজি: প্রতি মিনিটে ৩০ শব্দ
- বাংলা: প্রতি মিনিটে ২৫ শব্দ
এই পদে অফিস প্রশাসন, নথিপত্র ব্যবস্থাপনা, টাইপিং এবং দাপ্তরিক কাজে দক্ষ প্রার্থীরা সুবিধা পাবেন।
৩. উচ্চমান সহকারী
উচ্চমান সহকারী পদের জন্য প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
টাইপিং দক্ষতা:
- ইংরেজি: প্রতি মিনিটে ৩০ শব্দ
- বাংলা: প্রতি মিনিটে ২৫ শব্দ
যারা স্নাতক পাস করে কর বিভাগে দাপ্তরিক পদে চাকরি করতে চান, তাদের জন্য এটি ভালো সুযোগ।
৪. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর
এই পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
এই পদে সাঁটলিপি ও কম্পিউটার টাইপিং—দুই ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন।
সাঁটলিপির গতি:
- ইংরেজি: প্রতি মিনিটে ৭০ শব্দ
- বাংলা: প্রতি মিনিটে ৪৫ শব্দ
কম্পিউটার টাইপিং গতি:
- ইংরেজি: প্রতি মিনিটে ৩০ শব্দ
- বাংলা: প্রতি মিনিটে ২৫ শব্দ
এই পদে আবেদনকারীদের সাঁটলিপি, দ্রুত টাইপিং এবং অফিসিয়াল কম্পিউটার কাজে দক্ষ হওয়া জরুরি।
৫. অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএসহ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
কম্পিউটার টাইপিং গতি:
- ইংরেজি: প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ
- বাংলা: প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ
এইচএসসি পাস প্রার্থীদের জন্য এটি ভালো একটি সরকারি চাকরির সুযোগ, বিশেষ করে যাদের কম্পিউটার টাইপিং দক্ষতা আছে।
৬. অফিস সহায়ক
অফিস সহায়ক পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
এসএসসি পাস প্রার্থীরা এই পদে আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা
সব পদের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ০৭ মে ২০২৬ তারিখে সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়। বয়সের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক সর্বশেষ জারিকৃত পরিপত্র/নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
কোন জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন?
কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া নিয়োগে নিচের জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন:
- কুষ্টিয়া
- চুয়াডাঙ্গা
- মেহেরপুর
প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় নিজ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে নাগরিকত্ব সনদ প্রদর্শন করতে হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/প্রশাসক কর্তৃক ইস্যুকৃত নাগরিকত্ব সনদের কথা উল্লেখ আছে।
আবেদন করার নিয়ম — Tax Zone Kushtia Online Apply
কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া নিয়োগে আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আবেদন করার ওয়েবসাইট:
https://taxkus.teletalk.com.bd
অনলাইন ছাড়া কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। আবেদনপত্র জমাদানের সময়সীমা হলো ০৭ মে ২০২৬, ০০:০১ ঘণ্টা থেকে ০৩ জুন ২০২৬, ২৩:৫৯ ঘণ্টা পর্যন্ত। User ID পাওয়ার পর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে SMS-এর মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে।
ছবিসহ সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া দেখুন
অনলাইনে আবেদন করার ধাপ
১. প্রথমে taxkus.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. Application Form অপশনে ক্লিক করুন।
৩. পদের তালিকা থেকে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী পদ নির্বাচন করুন।
৪. নিজের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম ও জন্মতারিখ সঠিকভাবে লিখুন।
৫. জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর দিন।
৬. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন।
৭. শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য দিন।
৮. নির্ধারিত সাইজে ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করুন।
৯. আবেদন সাবমিট করার আগে সব তথ্য যাচাই করুন।
১০. আবেদন সাবমিট করার পর Applicant’s Copy ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
ছবি ও স্বাক্ষরের সাইজ
অনলাইন আবেদন করার সময় ছবি ও স্বাক্ষর নির্দিষ্ট সাইজে আপলোড করতে হবে।
| ফাইল | সাইজ | সর্বোচ্চ ফাইল সাইজ |
|---|---|---|
| ছবি | 300 x 300 Pixel | 100 KB |
| স্বাক্ষর | 300 x 80 Pixel | 60 KB |
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রার্থীকে নিজের রঙিন ছবি এবং স্বাক্ষর স্ক্যান করে নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে।
Applicant’s Copy কেন গুরুত্বপূর্ণ?
অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পর প্রার্থী একটি Applicant’s Copy পাবেন। এতে থাকে:
- প্রার্থীর নাম
- পদের নাম
- ছবি
- স্বাক্ষর
- User ID
- আবেদন সংক্রান্ত তথ্য
- SMS payment নির্দেশনা
Applicant’s Copy ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। যদি Applicant’s Copy-তে ভুল তথ্য থাকে, ছবি অস্পষ্ট হয়, ছবি/স্বাক্ষর সঠিক না থাকে—তাহলে ফি জমা দেওয়ার আগে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। কিন্তু আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর আর কোনো পরিবর্তন/পরিমার্জন গ্রহণযোগ্য নয়।
আবেদন ফি
আবেদন ফি পদ অনুযায়ী আলাদা। আবেদন ফি Teletalk Prepaid Mobile দিয়ে SMS-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
| পদের ধরন | আবেদন ফি | Teletalk চার্জ | মোট |
|---|---|---|---|
| ক্রমিক ১ থেকে ৫ নম্বর পদের জন্য | ১০০ টাকা | ১২ টাকা | ১১২ টাকা |
| ক্রমিক ৬ নম্বর পদের জন্য | ৫০ টাকা | ৬ টাকা | ৫৬ টাকা |
| অনগ্রসর নাগরিক প্রার্থীদের ক্ষেত্রে | ৫০ টাকা | ৬ টাকা | ৫৬ টাকা |
User ID পাওয়ার পর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে হবে। ফি জমা না দিলে অনলাইন আবেদনপত্র কোনো অবস্থাতেই গৃহীত হবে না।
SMS দিয়ে আবেদন ফি জমা দেওয়ার নিয়ম
Teletalk Prepaid মোবাইল থেকে ২টি SMS পাঠিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
প্রথম SMS
মোবাইলের Message অপশনে লিখুন:
TAXKUS <space> USER ID
এরপর পাঠিয়ে দিন:
16222
উদাহরণ:TAXKUS ABCDEF
প্রথম SMS পাঠানোর পর ফিরতি SMS-এ প্রার্থীর নাম, ফি এবং PIN নম্বর আসবে।
দ্বিতীয় SMS
PIN পাওয়ার পর লিখুন:
TAXKUS <space> YES <space> PIN
এরপর পাঠিয়ে দিন:
16222
উদাহরণ:TAXKUS YES 12345678
পেমেন্ট সফল হলে ফিরতি SMS-এ User ID ও Password পাওয়া যাবে। এগুলো অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
User ID ও Password হারিয়ে গেলে করণীয়
শুধু Teletalk Prepaid মোবাইল ফোন থেকে SMS পাঠিয়ে User ID এবং Password পুনরুদ্ধার করা যাবে।
User ID জানা থাকলে
TAXKUS <space> Help <space> USER <space> USER ID
পাঠাতে হবে:
16222
উদাহরণ:TAXKUS Help USER ABCDEF
PIN Number জানা থাকলে
TAXKUS <space> Help <space> PIN <space> PIN No
পাঠাতে হবে:
16222
উদাহরণ:TAXKUS Help PIN 12345678
প্রবেশপত্র ডাউনলোড
প্রবেশপত্র ডাউনলোডের তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে:
taxkus.teletalk.com.bdওয়েবসাইটেtaxeszonekushtia.gov.bdওয়েবসাইটে- প্রার্থীর মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে
শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের প্রবেশপত্র সংক্রান্ত তথ্য জানানো হবে। User ID ও Password ব্যবহার করে প্রার্থী রোল নম্বর, পদের নাম, ছবি, পরীক্ষার তারিখ, সময় ও ভেন্যুর তথ্যসহ Admit Card ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট করবেন। লিখিত পরীক্ষার সময় এবং উত্তীর্ণ হলে ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রবেশপত্র অবশ্যই প্রদর্শন করতে হবে।
পরীক্ষা পদ্ধতি
সব পদের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হবে। তবে কিছু পদের জন্য ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্রমিক ১–৫ নম্বর পদের জন্য লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হবেন। অফিস সহায়ক পদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হবেন।
ব্যবহারিক পরীক্ষা যেসব পদে হতে পারে
- কম্পিউটার অপারেটর
- প্রধান সহকারী
- উচ্চমান সহকারী
- সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর
- অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
ব্যবহারিক পরীক্ষায় সাধারণত টাইপিং, কম্পিউটার ব্যবহার, সাঁটলিপি বা সংশ্লিষ্ট পদের দক্ষতা যাচাই করা হতে পারে।
পরীক্ষার নম্বর বণ্টন
কম্পিউটার অপারেটর পদের পরীক্ষা
কম্পিউটার অপারেটর পদে পরীক্ষা হবে “সরকারি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার পার্সোনেল নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯” অনুযায়ী। নম্বর বণ্টন নিচে দেওয়া হলো:
| পরীক্ষা | বিষয় | নম্বর |
|---|---|---|
| লিখিত | বাংলা | ২০ |
| লিখিত | ইংরেজি | ২০ |
| লিখিত | গণিত | ২০ |
| লিখিত | কম্পিউটার বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান | ৩০ |
| লিখিত মোট | ৯০ | |
| মৌখিক | ১০ | |
| সর্বমোট | ১০০ |
লিখিত পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট।
অন্যান্য পদের পরীক্ষা
অন্যান্য পদে পরীক্ষা হবে “কর বিভাগ (১০ম গ্রেড হতে ২০তম গ্রেড কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫” অনুযায়ী।
| পরীক্ষা | বিষয় | নম্বর |
|---|---|---|
| লিখিত | বাংলা | ২৫ |
| লিখিত | ইংরেজি | ২৫ |
| লিখিত | গণিত | ২০ |
| লিখিত | সাধারণ জ্ঞান | ২০ |
| লিখিত মোট | ৯০ | |
| মৌখিক | ১০ | |
| সর্বমোট | ১০০ |
লিখিত পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট।
মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে এবং প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার সত্যায়িত ১ সেট ফটোকপি জমা দিতে হবে। সঙ্গে সদ্য তোলা ২ কপি রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১. সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ
২. অভিজ্ঞতার সনদ, যদি প্রযোজ্য হয়
৩. নিজ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে নাগরিকত্ব সনদ
৪. জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ
৫. প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার চারিত্রিক সনদ
৬. কোটা-সংক্রান্ত সনদ, যদি প্রযোজ্য হয়
৭. শারীরিক প্রতিবন্ধী/তৃতীয় লিঙ্গ/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রার্থীর সনদ, যদি প্রযোজ্য হয়
৮. মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধা/বীরাঙ্গনার সন্তান হলে সংশ্লিষ্ট সনদ
৯. Applicant’s Copy
১০. Admit Card
বিজ্ঞপ্তিতে মৌখিক পরীক্ষার সময় এসব কাগজপত্র প্রদর্শন ও জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চাকরিরত প্রার্থীদের জন্য নির্দেশনা
সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে। কর বিভাগে চাকরিরত প্রার্থীদের আবেদন ফরম পূরণের সময় Departmental Candidate অপশন নির্বাচন করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্রের মূল কপি জমা দিতে হবে।
আবেদন করার আগে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
আবেদন করার আগে নিচের বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করুন:
- আপনি কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা বা মেহেরপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা কি না
- পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করছেন কি না
- বয়স ১৮–৩২ বছরের মধ্যে আছে কি না
- একই প্রার্থী একাধিক পদে আবেদন করছেন কি না
- ছবি 300×300 pixel করা হয়েছে কি না
- স্বাক্ষর 300×80 pixel করা হয়েছে কি না
- আবেদন সাবমিট করার আগে Applicant’s Copy ভালোভাবে যাচাই করেছেন কি না
- User ID পাওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদন ফি জমা দিয়েছেন কি না
- User ID ও Password সংরক্ষণ করেছেন কি না
একজন প্রার্থী একাধিক পদে আবেদন করতে পারবেন না। অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ ও বিলম্বে প্রাপ্ত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থীর পক্ষে কোনো ধরনের তদবির অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
| বিষয় | তারিখ ও সময় |
|---|---|
| আবেদন শুরু | ০৭ মে ২০২৬, ০০:০১ ঘণ্টা |
| আবেদন শেষ | ০৩ জুন ২০২৬, ২৩:৫৯ ঘণ্টা |
| আবেদন ফি জমা | User ID পাওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে |
| প্রবেশপত্র | SMS/ওয়েবসাইটে জানানো হবে |
| পরীক্ষার তারিখ | কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে জানাবে |
শেষ কথা
কর অঞ্চল কুষ্টিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। এই নিয়োগে স্নাতক, এইচএসসি ও এসএসসি পাস প্রার্থীদের জন্য বিভিন্ন পদে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন করার আগে অবশ্যই মূল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে পদের যোগ্যতা, বয়সসীমা, আবেদন ফি, ছবি ও স্বাক্ষরের সাইজ, SMS payment process এবং পরীক্ষার নিয়ম যাচাই করে নিন। শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে হাতে সময় নিয়ে আবেদন সম্পন্ন করা সবচেয়ে ভালো।


